যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২

উপন্যাস নবীন প্রেমের উদয় , লেখক নাঈম হোসেন , প্রথম খণ্ড , পর্ব : নয়

💔নবীন প্রেমের উদয়! প্রথম খণ্ড
নাঈম হোসেন 

পর্বঃ- নয় (হুবহু জেমির বর্ণনা);


👩জেমি: গভীর রাত, চারদিক নিঝুম। সারাদিন প্রচণ্ড গরম পড়েছিল। আকাশে সন্ধ্যাতারা উঁকি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহওয়া ক্রমশ খারাপের দিকে এগোতে থাকে। ক্ষণে-ক্ষণে দমকা হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। আবার কখনো সখনো টপাটপ রিমিকিঝিমিকি বাদলের ধারা ঝরছে। 

👩জেমি: নিস্তব্ধরাতে টিনের উপরে ঝমঝম, বৃষ্টির শব্দ শুনতে বেশ ভালো লাগছে। এই কিছুক্ষণ পূর্বেও মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। এখনো রিমঝিম বৃষ্টি পড়ছে এবং সেই সাথে হিমেল হাওয়া বইছে। ঘন্টা দুয়েক ধরে নিশাচর প্রাণি ও ব‍্যাঙের ডাকে কানদ্বয় বিষাক্ত হয়ে উঠেছে।

👩জেমি: এখন পরিবেশটা পুরোপুরি শান্ত মনে হচ্ছে, তাই ঘুমানোর এখনই উপযুক্ত সময়। চোখেও ঘুমঘুম ভাব হচ্ছে, মুখে ঘনঘন ঘুমের হাই আসছে,  হাত-পা ঝিমঝিম করছে, হয়তো হুট করে ঘুমিয়ে পড়বো।

👩জেমি: এমনি সময় হঠাৎ রুমের ঠিক পূর্বকোণে ঠুংঠাং, খসখসে কীসের যেন শব্দ পাচ্ছি। কীসের শব্দ, ইদুর -টিদুর হবে নাতো? নাতো এমনটা তো হওয়ার কথা নয়, ইদুর ঢুকবে কোথা থেকে? রুমের কোথাও সাপের জিহ্বা ঢুকবে এমন ফাঁকা জায়গা নেই। 

👩জেমি: আবারও খসখস শব্দ পাচ্ছি; চোখ ঘুমে খুলতে পারছি না,  তবু একবার দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে, রুমে আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়েছে। রুম ঘোর অন্ধকার,  দেখতে হলে অবশ্য আলোর প্রয়োজন; তাই চোখ বন্ধ অবস্থায়ই টর্চ লাইটটা হাতের কাছে আনছি। 

👩জেমি: মনে হচ্ছে আমার চোখের উপর কেউ পাথর চাঁপা দিয়ে রেখেছে, তাই চোখ টেনেও খুলতে পারছি না। তবু অনিচ্ছাকৃত আলসে আঁখি খুলতেই চমকে উঠলাম! শোয়া থেকে উঠে বসলাম! ভয়াবহ ভয়ে সর্বাংশে কম্পন উঠেছে, ভয়ংকর ভয়ে কুঁকড়ি-সুকড়ি দিয়ে বসেছি; 

👩জেমি: ঘনঘন মুখ থেকে থুতু এনে বুকে ডলাইমলাই করছি। রুমে পূর্ণিমা রজনীর আলো ঠিকরে পড়েছে; পুরো রুম ধবধবে সাদা, রুমের মধ্যে এতো আলো যে, টেবিলের উপর রাখা বইখাতা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি।

👩জেমি: কিন্তু এতো আলো কোথায় থেকে আসছে তার কোন হদিস পাচ্ছি না।

👩জেমি: হঠাৎ দেয়ালে ঝুলন্ত ঘড়ির দিকে নজর পড়ল, চেয়ে দেখি রাত তিনটা ছুঁইছুঁই। 
জেমি: আবার রুমের মধ্যে আচমকা আচমকা জ‍্যোৎস্ম রাতের জুনিপোকার মতো থোকায় থোকায় আলো দেখতে পাচ্ছি। 

👩জেমি: কী জানি, আবার কক্ষে কোন ভূতটূত প্রবেশ করেনি তো?
জেমি: ভয়ে থরোথরো শুকনো কাঠ হচ্ছি।

👩জেমি:  ভয়ে মাকে ডাক দিবার চিন্তা করছি; মা, মা বলে ডাক দিতে মা শব্দটি মুখেও এনেছি,:এমনি সময় মুচকি, মুচকি হাসিতে একজন মহাপুরুষ আমার  সামনে এসে দাঁড়াল। 
জেমি: ভয়ে আমার প্রাণ পাখিটা আমার অজান্তেই আমাকে ছেড়ে রুহ জগতে চলে গিয়েছে। আমি থুবড়ে গেছি ! আমার সাত সমুদ্র জল পিপাসা পেয়েছে; 

👩জেমি: ভালো করে নজর করে দেখি এই মহাপুরুষ আমার পরিচিতি একজন, জেমি: তাই নির্ভয়ে তার সামনাসামনি দাঁড়িয়ে তাকে বসতে বললাম।

👩জেমি: এর পূর্বেও তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল, প্রথমবার স্বপ্নযোগে আর দ্বিতীয়বার বিপদে সাহায্যকারী বন্ধু হিসেবে। 

👩জেমি: এই অল্প সময়ে তার সম্পর্কে যতটুকু ধারণা, উনি মানুষ হোক কিংবা জীন হোক উনি একজন ভালো মনের হবেন। ওনার আসল নাম পরিরাজ, ওনাকে চিনতে পারার পর আমার উপর থেকে ভয়ংকর ভয়ের কঠিন পাথরটা ঝাঁ-ঝাঁ করে সরে গেল। তবে পিপাসায় গলা শুকিয়ে আসছে। 
জেমি: উনি আমার সামনে একগ্লাস শরবত দিয়ে বললেন, এটা পান করে নাও,

👩জেমি: আমি কিছু না বলেই সঙ্গে সঙ্গে ওনার হাত থেকে নিয়ে এক চুমুকে পান করলাম। তারপর উনি আমাকে বসতে বললেন, আমি বসলাম, উনি আমাকে বললেন; ভয় পেয়োনা, আমি তোমার কল‍্যাণের জন্য আসছি। তারপর উনি আরেক গ্লাস শরবত আমার হাতে দিয়ে বললেন; এটাও পান করে নাও,

👩জেমি: অনেক Orange এর মিশ্রণে পরিপূর্ণ একগ্লাস শরবত এক চুমুকে সবটুকু শেষ করে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়ে ওনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার পাশে বসতে অনুরোধ করলাম।
জেমি:  উনি আমার পাশাপাশি বসলেন। 

👩জেমি: তারপর মুখ নেড়ে নেড়ে কতগুলো পবিত্র কোরআনের আয়াত পাঠ করে আমার গায়ে তিনটি ঝাঁড়ফুঁক দিলেন এবং নানারকম পাথরযুক্ত রংবেরঙের একটা নেকলেস আমার গলায় পরিয়ে দিয়ে বললেন, ফের আর কখনো তুমি আমাকে দেখে ভয় পাবে না। তারপর খুঁটেখুঁটে উনি আমার পরিবারের সকলের কুশলাদি জিজ্ঞাসা করলেন? কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে তারপর বললেন, জেমি তুমি কী আমাকে বিশ্বাস করো? 

👩জেমি: আমি বললাম হ‍্যাঁ! 

💂পরিরাজ: আমি তো কোন মানুষ নয়, আমি একজন জীন! তবুও তুমি আমাকে বিশ্বাস করো কেন?

👩জেমি: যে পরম সুন্দর, যার মধ্যে ভালো চরিত্রের গুণ বসবাস করে, আর যে পরোপকারী, সে পর ধর্মের হোক, মানুষ কিংবা জীন-পরি যাই হোকনা কেন, যার মধ্যে ভালো গুণাবলি বিদ‍্যমান সেই তো ভালো। 
পরিরাজ: তোমাকে ধন্যবাদ। 

👩জেমি: পরিরাজ কিছুক্ষণ নীরব থেকে তারপর বলল;  
পরিরাজ:  ও মানুষ বন্ধু! তুমি আমার সঙ্গে কোথায় ঘুরতে যাবে? 
জেমি: কোথায়?

💂পরিরাজ: এমন একটা মনোগ্রাহী স্থানে যেখানে তুমি কখনো যাওনি, 

💂পরিরাজ: তবে সে জায়গাটা চক্ষুশীতল হওয়ার মতো দর্শনীয়। 

👩জেমি: ওয়াও, 

👩জেমি: হ‍্যাঁ আমি যেতে রাজি, তবে একটা শর্ত আছে সকাল হওয়ার আগে আমাকে রুমে পৌঁছে দিতে হবে। 

💂পরিরাজ: তোমাকে ধন্যবাদ, 

💂পরিরাজ: ঠিক আছে ফজরের আজানের পূর্বে তোমাকে রুমে পৌঁছে দেব।

👩জেমি: তাহলে আর দেরী না করে এক্ষুনি চলেন;

💂পরিরাজ: তবে চল,  

💂পরিরাজ: তুমি আমার হাতের উপর দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করো; 

👩জেমি: আমি ওনার আদেশ অনুযায়ী হাতের তালুতে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করলাম।;

👩জেমি: সঙ্গে সঙ্গে পরিরাজ আমাকে নিয়ে সেই অপরিচিত মনোগ্রাহী জায়গার উদ্দেশ্য আকাশে উড়াল দিলো।

💕নবীন প্রেমের উদয়! প্রথম খণ্ড , পর্ব: নয় 
                        সমাপ্ত।।
👉রচনাকাল :  সংশোধিত ৩০ অক্টোবর ২০২২ ইং         

👉বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত৷ 
                    
👉সোর্সসমূহ:  
👉তথ্যসূত্র : পুস্তক সমূহ 

[১]সহিহ বুখারী হা/২৪৬৫, ৬২২৯; ছহীহুল জামে হা/২৬৭৫।

[২]সুনানে আবু দাউদ: ৪৮১৯।
[৩]বুখারী হা/২৪৭৩; ছহীহাহ হা/৩৯৬০।
[৪]তিরমিযী হা/১৩৫৫; ইবনু মাজাহ হা/২৩৩৮, সনদ ছহীহ।
[৫]সহিহ মুসলিম: ৩৫।
[৬] জামে তিরমিজি: ১৯৫৬।
[৭]সহিহ মুসলিম: ১৯১৪।
[৮] লোকমান ৩১/১৮
[৯] নূর ২৪/৩০-৩১।
[১০]আবূদাঊদ হা/২১৪৯; তিরমিযী হা/২৭৭৭; মিশকাত হা/৩১১০; ছহীহুল জামে‘ হা/৭৯৫৩।
[১১] মুসলিম হা/২১৫৯; আবূদাঊদ হা/২১৪৮; তিরমিযী হা/২৭৭৬; মিশকাত হা/৩১০৪।
[১২] মুসলিম হা/২৬১৮; ইবনু মাজাহ হা/৩৬৮১; মিশকাত হা/১৯০৬।
[১৩] মুসলিম হা/১০০৮; নাসাঈ হা/২৫৩৮।
[১৪] মুসলিম হা/৩৫; তিরমিযী হা/৫৭; ছহীহাহ হা/১৭৬৯; মিশকাত হা/৫।
[১৫] বুখারী হা/৬৫২, ২৪৭২; মুসলিম হা/১৯১৪; তিরমিযী হা/১৯৫৮।
[১৬] আবূদাঊদ হা/৫২৪৫; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৭৫৫।
[১৭]মুসলিম হা/১৯১৪; মিশকাত হা/১৯০৫; ছহীহুল জামে‘ হা/৫১৩৪।
[১৮] মুসলিম হা/৫৪; মিশকাত হা/৪৬৩১।
[১৯] বুখারী হা/১২, ২৮, ৬২৩৬; মুসলিম হা/৩৬; মিশকাত হা/৪৬২৯।
[২০] বুখারী হা/৬২৩৬; মুসলিম হা/২১৬০; মিশকাত হা/৪৬৩২।
[২১] বুখারী হা/৬২৩১; আবূদাঊদ হা/৫১৯৮; তিরমিযী হা/২৭০৪; মিশকাত হা/৪৬৩৩।
[২২]  সূরা নিসা ৪/৮৬।
[২৩]  মুসলিম হা/২১৬২; আবূদাঊদ হা/৫০৩০; ছহীহুল জামে‘ হা/৩২৪১।
[২৪]  সূরা আলে ইমরান ৩/১১০। 
[২৫] সূরা  তওবা ৯/৭১। 
[ ২৬] সূরা :তওবা ৯/৬৭। 
[২৭] তিরমিযী হা/২১৬৯; ছহীহুল জামে‘ হা/৫৮৬৮।
[২৮] সূরা : মায়েদা ৫/১০৫। 
[২৯] ইবনু মাজাহ হা/৪০০৫; মিশকাত হা/৫১৪২; ছহীহাহ হা/১৫৬৪।
[৩০] আবূদাউদ হা/৪৮১৬; মিশকাত হা/৪৬৪১।
[৩১]  আহমাদ হা/১৮৬১৩; দারেমী হা/২৬৫৫; ছহীহাহ হা/১৫৬১; ছহীহুল জামে‘ হা/১৪০৭।
[৩২] আল-আদাবুল মুফরাদ হা/১১৪৯; ছহীহাহ হা/২৫০১।
[৩৩]  তিরমিযী হা/১৯৫৬; মিশকাত হা/১৯১১; ছহীহাহ হা/৫৭২; ছহীহুল জামে‘ হা/২৯০৮।
[৩৪] তিরমিযী হা/১৯৫৬; মিশকাত হা/১৯১১; ছহীহাহ হা/৫৭২।
[৩৫] তিরমিযী হা/১৯৫৭; মিশকাত হা/১৯১৭, হাদীছ ছহীহ।
[৩৬] আহমাদ হা/২৮১৭; ছহীহাহ হা/৩৪৬২।
[৩৭] শারহুস্ সুন্নাহ্, মিশকাত হা/৪৬৬১; ছহীহাহ হা/২৫০১।
[৩৮] বুখারী হা/২৯৮৯; মুসলিম হা/১০০৯; মিশকাত হা/১৮৯৬।
[৩৯] সূরা: আহযাব ৩৩/৪১-৪২। 
[৪০] তাবারাণী, কাবীর হা/৫৫৯২; ছহীহাহ হা/২৫০১।
[৪১] আবূদাউদ হা/৪৮৫৬; মিশকাত হা/২২৭২; ছহীহাহ হা/৭৮।
[৪২] সূরা: বানী ইসরাঈল ১৭/৫৩। 
[৪৩]  বুখারী হা/৬০১৮-১৯; মুসলিম হা/৪৭; মিশকাত হা/৪২৪৩।
[৪৪] বুখারী হা/২৯৮৯; মুসলিম হা/১০০৯; মিশকাত হা/১৮৯৬।
[৪৫] আল-আদাবুল মুফরাদ হা/৮১১; মুস্তাদরাকে হাকেম হা/৬১; ছহীহাহ হা/১৯৩৯; ছহীহুল জামে‘ হা/৪০৪৯।
[৪৬]  বুখারী হা/৬০২৩; মুসলিম হা/১০১৬; মিশকাত হা/৫৮৫৭।
[৪৭] বুখারী হা/১৪৪৫; মুসলিম হা/১০০৮; ছহীহাহ হা/৫৭৩।
[৪৮] মুসনাদ আহমাদ হা/২১৫২২; ছহীহাহ হা/৫৭৫; ছহীহুল জামে‘ হা/৪০৩৮।
[৪৯] বুখারী হা/২৪৪৩-৪৪; মুসলিম হা/২৫৮৪; মিশকাত হা/৪৯৫৭।
[৫০] মুসলিম হা/২৫৮৪।
[৫১]  শারহু মুশকিলিল আছার হা/৩১৮৫,২৬৯০; ছহীহ তারগীব ওয়া তারহীব হা/২২৩৪; সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৭৭৪
[৫২] আবুদাউদ হা/৫২৭২; মিশকাত হা/৪৭২৭; ছহীহাহ হা/৮৫৬; ছহীহুল জামে হা/৯২৯।
[৫৩] বুখারী হা/৬২০২; মুসলিম হা/২৩২৩।
[৫৪] মুসলিম হা/২১৬২; আবুদাঊদ হা/৫০৩০; ছহীহুল জামে হা/৩২৪১।
[৫৫] বুখারী হা/৬২২৪; আবূদাঊদ হা/৫০৩৩; ইবনু মাজাহ হা/৩৭১৫।
[৫৬] সুরা যুখরুফ : আয়াত ১৩। 
[৫৭] আবু দাউদ, তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ, বুলুগুল মারাম।
[৫৮] তিরমিজি, হাদিস : ৩৪২৬।
[৫৯] মুসলিম, হাদিস : ৯৭৮/২। 
[৬০] সুরা হুদ :৪১।
[৬১] মুসলিম, হাদিস : ২৭০৮।

👉(০১)

👉(০২)

👉(০৩)

(০৪)


(০৫)


(০৬)


(০৭)
                                  

(০৮)


(০৯)


(১০)
                         

(১১)


(১২)


(১৩)


(১৪)
              

(১৫)


(১৬)


(১৭)


(১৮)


(১৯)


(২০)
            

(২১) 


(২২) 


(২৩)

                             
(২৪) 

                                 
(২৫) 


(২৬) 

       নবীন প্রেমের  উদয়! প্রথম খণ্ড  
                   সমাপ্ত।।

👉বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত৷ 

👉লেখক পরিচিতি :

👉আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় খণ্ড , পর্ব - দশ, 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন