যদি তোমাকে না পাই
আত্মহনন করব।
আমার স্বপ্ন তুমি
তোমার জন্য বাঁচব আমি
তোমার জন্যই মরব।
আমি বহুদিন ধরে
অপেক্ষায় আছি তোমার তরে
একটু ভালোবাসা দাও মোরে।
আমি তোমার প্রেমে বিবশ হয়ে আছি
আমি তোমাকে পেতে চাই কাছাকাছি
আমি তোমাকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করছি।
কারণ আমি তোমাকে পছন্দ করি
আমি তোমার প্রেমে মরি মরি
আমাতে তোমাতে হবেনা কভু খুন-সুড়ি।
তুমি আমার ভালো বন্ধু
তোমাকে নিয়ে লিখব শত কবিতা ছন্দ
আমাতে তোমাতে হবেনা কভু দ্বন্দ্ব।
তুমি আমার স্বপ্নের আশা
তুমি আমার ভালোবাসা
তোমায় নিয়ে বাঁধব স্বর্গ সুখের বাসা।
কারণ আমি তোমাকে ভালোবসি।
তোমার জন্য বাজাই বিরহ বাঁশি।
তোমাকে না পেলে গলায় দিব ফাঁসি।
তোমার দুঃখে আমি কাঁদব
তোমার সুখে আমি হাসব।
তোমার জন্য বাঁচব - মরব।
তুমি আমার উত্তম সঙ্গী
তুমি আমার অর্ধাঙ্গ।
তুমি ছাড়া জীবন হবে সাঙ্গ।
আমার চাওয়া পাওয়া আর কিছু নাই
আমি শুধু তোমাকে চাই
তোমাকে চাই।।
you are my best lover.
you are my best partner.
you are my best friend.
you are my best husband.
👩জেমি: ইস কি শরম পাচ্ছি!
👩জেমি: যাক এবার পূর্বকথায় প্রবেশ করছি- আমার সে অপরিচিত প্রেমিকের যৌবনের উত্তপ্ত শিখা চারদিক দিয়ে টলমল করছে। শরীর থেকে মৃগনাভির Spicy বের হয়ে আমাদের পুরো বাড়িটা সুভাসিত হয়েছিল। মনে হচ্ছে, যেন এখনো সে Smell পাচ্ছি। সত্যিই আমি তাকে বর হিসেবে পেতে খুব আগ্রহী! কিন্তু আমার কল্পনায় একটা কথা বারংবার ঘুরপাক খাচ্ছে,তাই কল্পনার পরিধিটা হুহু করে বেড়ে যাচ্ছে। কিছুতেই একটা কথা বুঝে আসছেনা। যে তরুণ নারীমন না চাইতে হাজার তরুণী তাকে সঙ্গী হিসেবে পেতে জীবন বাজি রাখতে দিব্যি কাটবে। সে মহাপুরুষ Sudden আমার ঠোঁটের উপর চুমু দেবার হেতু কী? আমার মুদ্রাদোষ অনুযায়ী আমি বিছানার উপরে Supine (চিৎ)হয়ে শুয়ে ঘুমাচ্ছিলাম। ঘুমের মধ্যে দেখলাম, তরুণটি আমার চোখের উপর চোখ রেখে Suddenly আমার ওষ্ঠাদ্বয়ের উপর চুমু এঁকে দিল। ছি! ছি! কি লজ্জা? রুমে আমি একা। চারদিকে Soundless. ( নিঃশব্দ ) Stilly. stillness. আমি Stupefy( বোকা ) হয়ে গেলাম। আমার সর্বাঙ্গো শিরশির করে উঠল!
👩জেমি: আমি ভয়ে থরোহোরি! লজ্জায় মাথা বারংবার হেঁট হয়ে যাচ্ছিল। কাউকে কিছু বলতেও পারছিলাম না। অসহায়ের মত সোজা হয়ে কিছুক্ষণ দুজন দুজনের পানে তাকিয়ে ছিলাম। সে কী মায়াবতী চাহনি? মন বলছিল দৃষ্টির পলক না ফেলে হাজার বছর কাটিয়ে দেই। Kiss(চুমু)টা তিনি এমনভাবে দিয়েছেন, আমার মুখে তখন মৃদু হাসিহাসি ভাব ছিল। মনে হচ্ছে যেন আমি তাকে পূর্বে প্রাণপণে ভালোবেসে আজ কোন শুভদিনের Invitation করে এনেছি। আর তিনি চুম্বনটা আমাকে Surprise দিয়েছেন। আমার ভিতরের মনোভাবটাও এমন লাগছিল, যেন আমিও এমন একটা Surprise এর অপেক্ষায় ছিলাম।
👩জেমি: আমি কোন heat হলাম না। আমার মধ্যে কোন হতাশার ছাপও ছিলনা। শুধু আমার heart - এ, একটুখানি খসখসে শিহরণ হয়েছিল। ভয়ে সর্বাঙ্গো থরথরে vibrate হয়েছিল। আমি লজ্জায় Soft - headed. তবু ন্যাকামি গলায় চুপিচুপি বললামঃ এই তুমি কী করছ? আমাকে ছেড়ে দাও! Please আমাকে ছাড়ো! নইলে আমি shriek (চিৎকার ) করব! বাঁচাও বাঁচাও বলে বিকট গলায় চেঁচামেচি করার অনেক চেষ্টাও করলাম। কিন্তু বিফল হল সব চেষ্টা। ঘুমের মধ্যে চিৎকার দিলে কেন যেন মুখ বোবা হয়ে যায়, সে জানিনা । মনে হচ্ছিলো কেউ আমার মুখের মধ্যে চুইনগাম কিংবা ললিপপের আঁটা আটকে দিয়েছিল। আসলে তেমন কিছুই ছিল না। কিন্তু মুখ ফুটে কোন কথাই তখন বের হয়নি। উনিও ন্যাকা ন্যাকা মুচকি হেসে মিনমিন করে বললঃ " তোমার মুখে কোন কথা বেরুবে না, সে আমি জানি। কারণ; তোমার মধ্যে ভয়ানক লজ্জার ছাপ স্পষ্ট বিদ্যমান দেখছি।" আসলে উনি খুবই Shrewd. সেটা আমার বুঝতে বাকি নেই। আসলে উনি সত্যি কথাটাই বলেছেন; ভয়াবহ লজ্জায় তখন আমার মুখে কোন কথা আসছিল না। তাই বলে কী উনি আমার মনের দুর্বলতার সুযোগে আমার সরলতা লুফে নিবেন? না এ হতে পারে না?
👩জেমি: আমি পূনরায় চেঁচামেচি করার চেষ্টা করেছি। উনি খিলখিল দুষ্ট হাসিতে বললঃ " তোমাকে অহেতুক চেঁচাতে হবে না, তোমার উপর আর জোর করছি না।" ভয়ানক নীরবতা চারপাশ দিয়ে তখন আমাকে ঘিরে ছিল। ঘরের দরজা জানালা সবই বন্ধ ছিল। রুমে আমরা দু'জন ছাড়া আর কেউ ছিলনা। আমি কম্পিত কণ্ঠে বললাম Who are you?
👩জেমি: উনি ফের মিটুর মিটুর হাসিতে বললঃ" আমার পরিচয় জানাটা তোমার কী খুবই দরকার?" আমি ভয়ে ফোঁপাতে ফোঁপাতে বললাম জি ! " কিন্তু তোমার ভয়ংকর ভয়টাতো এখনো কাটেনি।" আমার দিকে ফ্যালফ্যাল কতক্ষণ তাকিয়ে, মুখ নেড়ে নেড়ে কী কতগুলো মন্ত্রটন্ত্র জপে আমার উপর ধমকা হাওয়ার মতো আচমকা তিনটি ঝাড়ফুঁক দিলেন। সঙ্গে সঙ্গে আমার ভিতরকার সব ভয় দূর হলো। সম্ভবত উনি আমাকে বশীকরণ করলেন। উনি আমার মাথায় হাত বুলিয়ে অনেক আদর করলেন। আমি সবকিছু সাদরে গ্রহণ করলাম। মনে হচ্ছিল যেন তার সঙ্গে আমার বহুদিনের পরিচয় রয়েছে।
👩জেমি: অতঃপর দুজনের মধ্যে অনেক প্রেমালাপ হচ্ছে, এমনি সময় চারপাশে বিয়ের সানাইয়ের সুর শুনছি..
মুহূর্তের মধ্যে পুরো বাড়িতে ঝাঁকে ঝাঁকে সঙ্গীত শিল্পীরা হৈহৈ, রৈরৈ ঢোলঢাক বাজাতে বাজাতে প্রবেশ করল। পুরো বাড়িটা ঝিকিমিকি জ্যোৎস্মা রাতের জোনাকি পোকার মতো ঝিলিক চমকানো বিজলী বাতি দিয়ে সাজানো দেখছি...
পুস্পমালা দিয়ে সুসজ্জিত একটা বাসর কামরা এবং সুসজ্জিত একটা বাসর শয্যা দেখছি..
কাজি সাহেবকেও দেখা গেল। মুসলিম ধর্মীয় নিয়ম নীতি মেনে কারা যেন আমাদের চার হাত এক করে দিলেন। আমাদেরকে ফুলশয্যায় প্রবেশ করানো হল। ধবধবে সাদা খাঁটি ধেনুর গরম গরম এক গ্লাস দুধ আমাদের সামনে দেওয়া হলো। তারপর যা হবার তাই হলো। মেঘ না গর্জাতেও মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ হয়েছিল।
👩জেমি: সেই দৃশ্যপট কখনও ভুলে যেতে পারবো না। অকালে জন্মনিয়ন্ত্রণের সব রকমের ফরমুলাও মেনে নেওয়া হয়েছিল। কারণ, তখন আমার মনে পড়েছিল; পাশের বাড়ির স্বর্ণা বৌদির কথা। খুব কচি বয়সে তাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বরের বাড়িতে এসেও সে, খুবই বিলাসী দিন কাটাতো। আহা! কি অপরূপা সুন্দরী ফুটফুটে মুখখানা তার। কিন্তু অকালে Pregnancy - delivery তে সে মারা যান। হাউমাউ করে ডুকরে কেঁদে উঠলাম। চোখের জল টলমল করছে...
আমি তখন Class Eight এ পড়ি। সেই ভয়ানক দৃশ্য এখনো মনে পড়লেই সহসা হড়হড় করে চোখে জল এসে যায়।
অসাধারণ লেখনী পড়ে মুগ্ধ হলাম ৷ ভালোবাসো ও অভিনন্দন জানাই লেখককে
উত্তরমুছুনমনমোহিনী রচনা
উত্তরমুছুন